তুমি এলে
কাজী খলিলুর রহমান
তারিখঃ- ০৩/১০/২৩ ইং
সেই তুমি এলে’
পূর্ণিমা রাতে নীল সাগর মাড়িয়ে’ শুভ্র শরতের একফালি মিষ্টি চাঁদ ঝলমলে আকাশে স্বপ্ন ছুঁয়ে ছুঁয়ে,
চাঁদের জোছনায় প্রজাপতি বেশে
নীলের চাদর দিয়ে গায় অবশেষে,
ক্লান্ত শ্রান্ত রজনী নীরবে নিভৃতে কাঁদে অজানা শংকায়,
আর নিভৃত পথচারী আহত পাখির ঠোঁটে ঠোঁট রেখে জানান দিচ্ছে এক নৈস্বর্গিক ভালো বাসার বন্দনায়।
কল্প তরু গল্প নিয়ে স্বপ্নীল রংধনু আসর বসেছিল শুধু তোমাকে পাবার আশায়, একবুক উচ্ছ্বাস নিয়ে প্রকাশে তবুও অনিচ্ছুক’
এই ভগ্ন পৃথিবী ছেড়ে বারবার দূরে সরে গেছ,
একবার ও ভাবলেনা ক্ষত বিক্ষত হৃদয়ের জোড়াতালি দিতে ব্যস্ত ছিলাম সর্বদাই তুমি শুধু উপেক্ষা করে গেছ ঘৃণায়।
কেন দিতে এলে!
সেই দহন জ্বালা সয়ে সয়ে মাদকের মাঝে খুঁজে পাওয়ার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সময় করে দিয়েছি পার, সেথা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম ঠায়!
ক্ষুধার্ত চোখে ঝিমঝিম করতে থাকে সমস্ত শরীর দুমড়ে মুচড়ে উঠে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম বা অধিকার, এই দহন জ্বালা দিয়ে কি লাভ পেলে বলতে পার আমায়,
নির্জন নিহারিকার স্নিগ্ধ শীতল কোমল আলোর পুঞ্জমালায়।
অবশেষে ঠিক এলে;
দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর গুনে গুনে
মধুকূঞ্জের ভ্রমর গুঞ্জনে গুঞ্জনে
উথাল পাতাল করে দিয়ে ধীর লয়ে
তখন হৃদয় জুড়ে অসংখ্য রোগের বাসা বেঁধেছে ,
আমি খুজতে খুজতে জীর্ণ শীর্ণ শরীর ও ক্লান্ত আঁখি নিয়ে ইশারায় কাছে ডেকে নিয়ে জানতে চেয়েছি তুমি ভালো আছো কিনা?
উত্তরের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে দোয়ারে এসে কড়া নাড়ে জীবনের অন্তিম সময়!
হয়তোবা ভালবাসতে পারেনি তাই শঙ্কচিলের বেসে আলাপন সেরে নিতে এলে,
ঠিক তখনই পাড়ি দিয়েছি অনন্ত পথের যাত্রায়, অচেনা ঠিকানায়।


