সুপ্রিয় সম্মানিত ইন্দ্র
হেমায়েত উল্লাহ হেমা
২২/১১/২০২
আর একটুও নয়,এইটুকুতেই ঢের হয়েছে
আহার নিদ্রা লয় পেয়েছে
আমি এখন রাত্রি জাগি
আঁকি তব ওই ছবিটি
বিধির ভুবনে ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে
এযেন জন্ম জন্মান্তের, ন্যায্য পাওনা
যা অনন্তকাল ধরে,খঁজেছি ক্ষুধার্ত হৃদয়ে
খুঁজেছি মনি মুক্তা ভিড়ে, বন বিথীকায়
বৃক্ষে জড়ানো লতায় পাতায়
তারকা-খচিত অপরূপ সৌন্দর্যের মাধুর্যতায় তপ্ত যৌবনে উন্মাদনায়
খুঁজেছি অন্ধকারে,লোকালয়ে
সমাজ সভ্যতায়
কবিতার অন্তরায়, উপন্যাসের পাতায়
কোথাও হয়নি দেখা প্রত্যাশীত আকাঙ্ক্ষা
বিভুর ভূবনে, চলেছি একা একা
সুপ্রিয় সম্মানিত ইন্দ্রা,
উনপঞ্চাশ পেরিয়ে জীবন যখন পঞ্চাশে
এই পরন্ত বিকেলে, হঠাৎ দেখি
অস্তমিত সূর্যের নিমজ্জিত লাল আভায়
ভেষে উঠেছে,বহুল প্রত্যাশীত সেই ছবি
হৃদয়ের ক্যানভাসে সহস্তে আঁকা
আমার চিরচেনা কবিতা দেবী
বিধাতার দেওয়া, অধীরে পরম পাওয়া
জীবন্ত কবিতা
এই পরন্ত বিকেলে,প্রত্র খানা লিখতে বসে
আমাকে লিখতেই হচ্ছে
আমাকে লিখতে হচ্ছে
আমাকে লিখতেই হচ্ছে
ঠোঁটের ও পাশের ওই ছোট্ট তিলটা
কপালের কালো টিপটা
ওই নীলাম্বরী লোচন যুগলে
হালকা কাজলের ছোঁয়াটা
স্বর্ণের মোড়ানো শঙ্খশাখা টা
সোনালী চেইনে আঁটা মঙ্গল সূত্রটা
কৃষ্ণচূড়ার রঙে রাঙা সীতির সিঁদুরটা
সুপ্রিয় সম্মানিত ইন্দ্রা
হৃদয়ের সবটুকু শ্রদ্ধা সম্মানে
অবনত মস্তকে বড্ড ভালোবসি
এ নহে মোর চাওয়া পাওয়া
অভয় দিলে বলতে পারি
ওই নীলাম্বরী লোচন যুগলের
অপলক চাহনি টা
বাঁকা ঠোটের মিস্টি হাঁসিটা
ওই নীল আম্বরের টনটন ব্যথাটা
ওই নীল আম্বরের কান্নার ঝর্নাটা
স্মৃতির পাতার জোনাকিটা
বন্দী করলাম
বন্দি করলাম স্রষ্টার ঐশ্বর্যরাজির সিন্দুকে
শুধু বন্দী করতে পারলাম না
বন্দী করতে পারলাম না
জীবন্ত কবিতা
বন্দী করতে পারলাম না,আহবানের হাতটা
সুপ্রিয় সম্মানিত ইন্দ্রা
যাব দুর বহুদূরে ওই হাত ধরে
নীলাম্বরীর নীলে….
হারাবো চক্রবৃত্তে যুগ যুগান্তরে
সুপ্রিয় সম্মানিত ইন্দ্রা
জানিনা এই নশ্বর জগতে
আর হবে কিনা দেখা
যদি এ দেখাই শেষ হয়
তবে দেখা হবে সর্গে,এই প্রত্যাশায়..বিদায়…
সুপ্রিয় সম্মানিত ইন্দ্রা
ইতিঃ হেমায়েত উল্লাহ হেমা।।


