শোন হে মহারাজ
রেজাউল করিম বিশ্বাস
কেউ হাসে মুখ ঢেকে মিটিমিটি করে, কেউবা প্রকাশ্যে।
ব্যাটারা আজ পড়েছে ঠ্যালায় তাই রাজপথ জুড়ে।
রাজনীতি আজ এমনই অসহনীয় সত্য বলে কিছু নাই ?
যা’দের দেবতা ভাবি তারাই আজ রাজপথে গুলি খায়।
বাবু বলেন নিজ স্বার্থসিদ্ধির জন্য আজ তোরা পথে
অধিক মুনাফা ঘরে তুলতে ষাঁড়ের মতো চিৎকার করিস।
কে শুনবে তোদের চিৎকার কে দেবে তোদের সঙ্গ ?
ওরে আভিজাত্যে মোড়া রাজপথে কেন করিস হল্লা ?
তোদের গায়ের গন্ধে রাজপথ অলিগলি আজ অন্ধকার।
যা তোরা যা সরে অচ্ছুত কোথাকার।
যদি না যাস দেব মাড়িয়ে চিরতরের মতো
উইপোকার মত মরবি দামি গাড়ির তলে পিষে।
আমরা যে আজ অবহেলিত তোমাদেরই সন্তান।
কৃষক বলে কেন দাও গালাগালি বারে বারে ?
আমরাও রক্তমাংসে গড়া এদেশের-ই নাগরিক
দেখো তোমরা আমাদের মতো কৃষক পরিবারেরই সন্তান।
তোমরা গিয়েছো ভুলে জঠরের জ্বালা
আমরা-ই তো এদেশের আদি কান্ডারী
দেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করি।
শস্য শ্যামলায় পূর্ণ করি তোমরা তা জানো ?
ভেবে দেখো হাল চাষ করি শস্য উৎপাদন আরো কতো
রোদ জলে ভিজে সারাবেলা খাঁটি মাঠে মাঠে।
বলো তবে সার বিষ এর দাম এতো অধিক কার স্বার্থে ?
মালিক শ্রেণীর মুনাফা বাড়াতে আমাদের-ই রক্ত চুষে।
আমরা যে প্রত্যাখ্যাত
ন্যাহ্য দাবি আদায়ে শীত গ্রীষ্ম বর্ষা মাথায় করে
সম্ভু সীমান্তে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস লাঠির ঘা সহ্য করি।
চোয়া,, হরিহর পাড়া,, মুর্শিদাবাদ।


